খোরশেদ আলম, সাভার প্রতিনিধিঃ ঢাকার আদূরে শিল্পাঞ্চল এখানে বাংলাদেশের প্রায় ৬৪ জেলার মানুষ জীবিকা নির্ভর করে থাকেন তেমনই একটা অঞ্চল সাভারের আশুলিয়া। প্রচন্ড শীতে কেঁপে উঠেছে আশুলিয়া বাসীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আশা বৃদ্ধ থেকে শুরু করে যুবক ও যুবতী সবাইকে শীতের একটু হলেও নাড়া দিয়েছে । তেমনি একজন ৭০ বছরের বৃদ্ধ কম্বল বাজারে এসে কম্বলের দিকে তাকিয়ে শীতে কাঁপছেন , কিন্তু কিনার মত কোন উপায় ছিল না তাঁর । পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ন সাধারন সম্পাদক প্রত্যাশী জনাব মোঃ লায়ন ইমাম হোসেন ,৭০ বছরের বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলেন চাচা কেন দাঁড়িয়ে আছেন মুরুব্বী বললেন শীতে কাঁপছে আমার গা কিন্তু কম্বল কিনার জন্য তাকিয়ে আছি কিন্তু পয়সা নাই পকেটে । কথা শুনে তিনি কম্বল কিনে তার গায়ে দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন লায়ন ইমাম সাহেব। প্রতিদিন কোন না কোন ব্যক্তিকে এভাবেই শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকেন , ঘর থেকে বেরিয়েই এসেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটু হলেও চেষ্টা করে থাকেন বলে জানান মোঃ লায়ন ইমাম হোসেন ।

শীতে বৃদ্ধ-শিশুদের কষ্টতা স্বাভাবিকভাবেই বেশি হয়। অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে তেমন উদ্যোগও চোখে পড়ে না। দাম বেশি হওয়ায় অসহায় লোকজনকে শীতবস্ত্র ছাড়াই জীবনযাপন করতে হয়।

শীতার্ত কিছু মানুষের এমন দুর্দশা লাঘব করতে শনিবার সন্ধ্যা থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ ইমাম হোসেনের ব্যবস্তাপনায় অসহায় শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই শীত দিনদিন বেড়েই চলছে। কনকনে শীতের আবহে জনমানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। প্রচন্ড শীত ও কুয়াশায় মানুষের চলাফেরা অত্যন্ত কষ্টেই কাটছে। সন্ধ্যা নামতে না নামতেই কুয়াশায় ঢেকে যায় চারদিক। শীত ও কুয়াশার তীব্রতায় সন্ধ্যার মধ্যে সবাইকে ঘরে বন্দি হতে হয়।

এ সময় তিনি বলেন, সব সময় আমি আমার স্বাধ্যমত চেষ্টা করি গরীব ও অসহায়দের পাশে দাড়ানোর জন্য। শীতের তীব্রতা বেড়ে চলেছে, সত্তরোর্ধ একজনঅসহায় বাবাকে পেলাম, যিনি শীতে কাপছেন, একটি কম্বল দিয়ে জড়িয়ে দিলাম, সাথে সাথে উনার মুখে হাসির বন্যা বয়ে গেলো। আমি সমাজের বৃত্তবানদেরকে আহবান করবো তীব্র এই শীতে গরীব ও অসহায়দের পাশে দাড়ানোর জন্য