এস এম মারুফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ যশোরের বেনাপোলে শার্শা উপজেলার প্রবীণ আওয়ামী লীগের নেতা ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশের সূবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব জন্মশতবর্ষের শুভেচ্ছা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টার সময় ১মিনিট নীরবতা পালন শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে বেনাপোল বলফিল্ড মাঠ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন বেনাপোল পৌর মেয়র ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন।

অনুষ্ঠানে প্রবীণ নেতাকর্মীদের বক্তব্য শেষে বক্তব্য রাখেন বেনাপোল পৌর মেয়র ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন।

এসমন তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কখনো সম্পদের উপর লোভ ছিল না, কোন মানুষকে তিনি অসম্মান করতেন না, কোন মানুষকে কষ্ট দিতেন না। আমরা তার কাছ থেকে সেই আদর্শ পেয়েছি। আমাদেরকে তার আদর্শ ধরে রাখতে হবে। আজ এখানে অনেক প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আমার ডাকে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হয়ে এই অনুষ্ঠানটি স্বার্থক করেছেন।

যুবকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আজকে এই মঞ্চে যে সব প্রবীন তেনাকর্মীরা উপস্থিত হয়েছেন, এদের কাউকে কোলে করে আনা হয়েছে, কেউ লাঠি ভর দিয়ে এসেছে, কাউকে গাড়িতে করে আনা হয়েছে। তোমরা ভুলে যেওনা, এনাদেরও একদিন তোমাদের মতো যৌবন ছিল, তোমাদের মতো শক্তি ছিল, তোমাদের মতো মুষ্ঠ পুষ্ঠ স্বাস্থ্য ছিল, এরাও ছিল সাহসী। সময়ের বিবর্তনে আজকে তারা বয়ষষ্ঠ হয়েছে। তোমরা মনে রেখ তোমাদের মধ্যে যা নেই এই প্রবীনদের মধ্যে তা ছিল। তাদের মধ্যে আদব ছিল, সভ্যতা ছিল, নম্রতা ছিল, মমত্ববোধ ছিল, ভালোবাসা ছিল, দাঙ্গা-হাঙ্গা করতো না।

ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি অগাত বিশ্বাস, নৌকা আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতি এক অপূরনীয় ভালোবাসা। সেই ভালোবাসা দিয়ে তারা তিলে তিলে আওয়ামী লীগকে এই জায়গায় এনে দিয়েছে। তোমাদের মনে রাখতে হবে, তোমাদের পিতার বয়সি, দাদার বয়সি মানুষগুলো আজ এখানে। একদিন তোমাদের মতো পাড়া মহল্লা কাঁপিযে বেড়াতো। মিছিলে মিছিলে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করতো এই রাজনৈতিক জনপদ। সেদিনও তারা কোন পিতার বয়সী পিতাকে অসম্মান করেনি। তাই আজকে তাদের স্মরণে এই সমাবেশ। তোমরা যারা যুবক তারা শত শত বছর বেছে থাকবে না কিন্তু মনে রেখ তোমার ব্যবহার তোমার আচারণ তোমার কর্মকান্ড এই সমাজে শত শত বছর বেঁচে থাকবে। যদি জাতির জনকের আদর্শে অনুপ্রানিত হও তাহলে মুজিবীয় আদর্শকে ধরে রাখার চেষ্টা করো। উক্ত অনুষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ মানুষের উপস্থিত ছিল।