ডেস্ক নিউজঃ এখন সারা বিশ্বে চলছে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ,  প্রতিনিয়ত দেশে আক্রান্ত হচ্ছে অ-সংখ্য মানুষ। অনেকে আবার এই মরণব্যাধি ভাইরাসের কবলে পড়ে  মৃত্যু বরণও করেছেন । খুলনা জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে (কোভিড ১৯) মোকাবেলায় নানা সব পদক্ষেপ নিচ্ছেন।  মাস্ক বিহীন অবস্থায় চলাফেরার কারণে খুলনা  জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় জরিমানা সহ বিভিন্ন আইনুনাগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় ।  আরো উল্লেখ থাকে যে, খুলনা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ফুলতলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন’র নেতৃত্বে ফুলতলায় মাস্ক না পরায় জনগনকে জেল জরিমানা সহ সাধারণ জনগনকে সচেতন করা হচ্ছে। 

এরই ভেতরে ফুলতলা উপজেলার নতুন হাটে শেখ রৌউফ আইনের বেড়া জাল ভেঙ্গে জম-জমাট ভাবে চলে বেঁচা-কেনার ধুম। 
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এখানে স্পেশাল চা পাওয়া যায়, তাই জনগনের আড্ডার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
 প্রত্যক্ষদর্শীমতে, রৌউফের দোকানে ২০ থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত চা পাওয়া যায়। আসলে এই চা কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত সেটাই জনগনের কাছে প্রশ্ন। 

ফুলতলা উপজেলার ভেতরে শুধু মাত্রই রৌউফের চার দোকানে অসংখ্য মানুষের লোকের ভিড় লক্ষ্য করা যায় । এখানে যারা চা খেতে আসে তাদের অনেকেই বহিরাগত । যাদের বেশির ভাগ লোকের মুখে কোন মাস্ক থাকে না। দোকানে সাইনবোর্ড আছে ঠিকই নো মাস্ক নো সার্ভিস কিন্তু বাস্তবে তার ভিন্ন রূপ।
বিশেষ করে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিকাল হতেই রৌউফের চার দোকানের সামনে থাকে অ-সংখ্য মটর সাইকেল প্রাইভেট গাড়ি সহ মানুষের অ-স্বাভাবিক ভীড় । দেখলেই যেন মনে হয় কন্সার্টের মঞ্চ। 
এখানেই শেষ নয়, অনেক রাত পর্যন্ত এই চায়ের দোকানে উঠতি বয়সের তরুণ তরুণীদের আড্ডা। এর আগেও ফুলতলা উপজেলা প্রশাসন সহ ফুলতলা থানা থেকে বিভিন্নভাবে সতর্ক করলেও কোন ভাবে তা মানছে না রউফ। কোন অদৃশ্য শক্তির বনিয়াদে স্বাস্থ্যবীধি সহ অধিক জনসমাগম ও মাস্ক বিহীন ভাবে এই রউফ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এ প্রশ্ন আজ সাধারণ জনগনের কাছে । প্রশাসন সব কিছু জেনেও যেন আজ কেন নীরব ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয়রা বলেন, চায়ের দোকান যদি অধিক জনসমাগম এবং মাস্ক বিহীন অবস্থায় চলতে থাকে, তাহলে করোনা ভাইরাসের হাত থেকে কতটুকু বাচতে পারবে ফুলতলাবাসী বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।  সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন,  বিষয়টি নিয়ে  প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা ও গ্রহন করা হবে। 

ফুলতলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত করোনা মোকাবেলার কাজ করে যাচ্ছি, আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম, আমরা অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো ।
 ইতিমধ্যে রৌউফকে নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন  পোর্টালে নিউজ করলেও তেমন কোন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় নি প্রশাসনের পক্ষ্য থেকে।