রাকিবুল হাসান আদমদীঘি(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ আগামী ১৬ জানুয়ারি আসন্ন ২য় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে বগুড়ার সান্তাহারে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত মেয়র পার্থীর একে অপরের বিরুদ্ধে করেন পাল্টা-পাল্টি মামলা।

পৌর নির্বাচনে, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারনা অফিস ভাংচুর বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বিলিত নৌকা প্রতীকের পোষ্টার পোড়ানো, অগ্নিসংযোগ এবং  বিএনপির নির্বাচনী প্রচারনা অফিস ভাংচুর ও প্রচার প্রচারণায় বাধা , নেতা কর্মীদের হুমকি প্রদান এর ঘটনায় দুই দলের মেয়র প্রার্থী বাদী হয়ে দুই পক্ষের প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মীর নামে মঙ্গলবার আদমদীঘি থানায় পৃথক পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
দুই পার্থীর এই মামলা দায়েরের ঘটনায় পৌরসভা এলাকায় নির্বাচন নিয়ে জনসাধারণের মাঝে বিরাজ করছে টানটান উত্তেজনা।

আগামী ১৬ জানুয়ারি সান্তাহার পৌরসভা নির্বাচন ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে সান্তাহার পৌরসভা নির্বাচন। নির্বাচনে মেয়র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন  বর্তমান মেয়র জনাব তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী জনাব আশরাফুল ইসলাম মন্টু। নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নির্বাচনী বিধি মেনে দুই প্রার্থীই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ১ টি করে নির্বাচনী ক্যাম্প করেন।

গত মঙ্গলবার বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী জনাব তোফাজ্জল হোসেন(ভুট্টু) বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিজেই বাদী হয়ে মেয়র প্রার্থীর ছেলে আল-মাহিদুল ইসলাম জয় সহ আরও ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদমদীঘি থানায়  একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ এর প্রার্থীর লোকজন আমার ৪ টি নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর, পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রার্থীসহ নেতা-কর্মীদের হুমকি প্রদান করেন।

একই দিনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী জনাব আশরাফুল ইসলাম(মন্টু) বিশেষ ক্ষমতা আইনে  নিজেই বাদী হয়ে বিএনপির নেতা মাহাফুজুল হক টিকনসহ ৪৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় জনাব আশরাফুল ইসলাম বলেন গত ১০ জানুয়ারী রাত ১০ টায় বিএনপির ধানের শীষ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেনের পক্ষের নেতা-কর্মী নৌকা প্রার্থীর ১নং ওয়ার্ড নির্বাচনী ক্যাম্পে অর্তকিত হামলা চালিয়ে অফিস ভাংচুর করে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি সম্বিলিত নৌকা প্রতিকের পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলে ও অগ্নিসংযোগে পুড়ে ফেলা হয় নির্বাচনী অফিস। এবং আমাকে তারা প্রান নাশের হুমকি প্রদান করেন।

অভিযোগের বিষয়ে আদমদীঘি থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ জালাল উদ্দীন বলেন, সান্তাহার পৌরসভার নির্বাচনী এলাকায় ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও হুমকি প্রদানের অভিযোগে পৃথক পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।