গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় কর্মসৃজন কর্মসূচির আওতায় কাজে (৪০ দিনের কাজ) অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে কর্মসৃজন কর্মসূচির আওতায় ৩৮ জন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই ওয়ার্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বিদেশ ও ঢাকায় থাকা ব্যাক্তিদের নাম অর্ন্তভুক্ত করেন। ইউপি সদস্য তার ভাই জাহেদুলকে লেবার সর্দারের দায়িত্ব দিয়ে তার মাধ্যমে কাজ করেনা এমন শ্রমিকদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহন করে নিয়মিত হাজিরা দেখিয়ে মজুরির টাকা প্রদান করেন। ফলে ৩৮ জন শ্রমিকের স্থলে ১৫ থেকে ২০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করে থাকে। শ্রমিকে মধ্যে আহেদুল বিদেশে ও রাবেয়া বেগম ঢাকায় থাকে। এছাড়া হবিবর রহমান, আসুদা বেগম, আফসার আলী, রনজুনা বেগম, ডালিম, লালবু, নুর মিয়া, সামসুন্নাহার এলাকায় থাকলেও নিয়মিত কাজ করেনা বলে নিয়মিত শ্রমিকের অনেকে জানান। নিয়মিত শ্রমিকরা জানান, ইউপি সদস্য উৎকোচ নিয়ে অনিয়মিত শ্রমিকদের নিয়মিত হাজিরা দেখিয়ে মজুরি প্রদানের ব্যবস্থা করেন। ইউপি সদস্যর এ ধরণের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে নিয়মিত শ্রমিকসহ এলাকায় মানুষের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠে। এদিকে প্রতিবারের ন্যায় মজুরির টাকা উত্তোলনের জন্য ইউপি সদস্য শ্রমিকদের সাথে নিয়ে গত ১২ জানুয়ারী বড়াইবাড়ি বাজারে রুপালী ব্যাংকে আসেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সঠিক শ্রমিকদের টাকা প্রদান করলেও সঠিক শ্রমিকের স্থলে কিছু ভূয়া শ্রমিক আসায় তাদের মজুরি প্রদান বন্ধ রাখে। রুপালী ব্যাংকের ম্যানেজার যারা সঠিক নয় তাদের মজুরি বন্ধ রাখার বিয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরো জানান সঠিক শ্রমিক আসলে তাদের মজুরি দেওয়া হবে। এদিকে ভূয়া শ্রমিক দিয়ে মজুরির টাকা উত্তোলন করতে না পারায় ইউপি সদস্য ক্ষীপ্ত হয়ে কিছু শ্রমিকের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন। এলাকাবাসী জানায় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের দুর্নীতির সাথে জড়িত রয়েছে সংরক্ষিত সদস্য মিনারা বেগম। ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম ও মিনারা বেগম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুনিমুল হক বলেন, বিষটি আমি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।