অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের মহানায়ক অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছেন তিনি। এমন নজরকাড়া পারফরম্যান্সের বদৌলতে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-আইসিসি থেকেও পুরস্কার পেয়েছেন সাকিব।

বিশ্বের সব খেলোয়াড়কে পেছনে ফেলে জুলাই মাসের সেরা হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি আফগান তারকা মোহাম্মদ নবীকে হটিয়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে শীর্ষ অলরাউন্ডার হয়েছেন।
ভূরি ভূরি পুরস্কারের সুখবর নিয়ে এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে অবকাশ যাপন করছেন সাকিব।

১ সেপ্টেম্বর থেকে হতে যাওয়া নিউজিল্যান্ড সিরিজ খেলতে শিগগিরই দেশে ফিরবেন তিনি।

এর আগেই গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছেন, যারা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জয়কে বাঁকা চোখে দেখছেন তাদের মনের ভেতরটা হিংসায় ভরা।
সাক্ষাৎকারে সাকিবকে করা নানা প্রশ্নের মধ্যে একটি ছিল— অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়কে অনেকে বাঁকা চোখে দেখেছেন। তারা বলছেন নিজেদের কন্ডিশনে ও নিচু-স্লো উইকেটের পুরো ফায়দা লুটেছে বাংলাদেশ। আপনি কীভাবে দেখছেন ব্যাপারটি?

এমন কথা শুনতেই সাকিব বলেন— ‘এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই। এগুলো তারাই বলে যাদের মনের ভেতরটা শুধু হিংসায় ভরা। তারা বাংলাদেশের অর্জনকে ঈর্ষা করে।’

সেসব সমালোচকের উদ্দেশে সাকিব পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েন— ‘ঘরের মাঠে নিজেদের কন্ডিশনের সুবিধা কে নিতে চাইবে না? কোন দল নেয় না সেটি? এর উদাহরণও আছে ভূরি ভূরি।’

প্রতিটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজেই স্বাগতিকরা সেই সুবিধা পান বলে দাবি সাকিবের।

সাকিবের মতে, ওয়ানডের মতো এখন টি-টোয়েন্টির রসায়নটা বুঝতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। সেই কারণে ক্রিকেটের এই ক্ষুদে সংস্করণে সাফল্য পাচ্ছেন টাইগাররা।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বলেন, ‘আগের চেয়ে যে মানসিকভাবে আমরা ভালো অবস্থানে আছি, সেটি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। টি-টোয়েন্টিতে আগে আমাদের মানসিকতাই থাকত যে এই খেলাটা আমরা অত ভালো খেলি না। এখন সে জায়গা থেকে অনেকটা সরে এসেছি। এখন সবাই জানে— এই সংস্করণেও ভালো করা আমাদের পক্ষে সম্ভব।’