তাজুল ইসলাম প্রধান, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জনস্বাস্থ্যর অধীনে পুকুর সংস্কার ও পিএসএফ প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জের শাখাহার ও কামদিয়া ইউনিয়নে পুকুর সংস্কার ও পিএসএফ প্রকল্পের জনস্বাস্থ্যের অধীনে ২৬টি পুকুর সংস্কার বাবদ ১ কোটি ৫০ লক্ষ এবং পিএসএফ প্রকল্পে ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়। যেহেতু গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শাখাহার ও কামদিয়া ইউনিয়নে ভূর্গস্থ্য পানীর স্তর অনেক গভীরে তাই খড়া ও চৌত্র মাসে পানির সংকট দেখাদেয় এই দুইটি ইউনিয়নে। তাই পানির সংকট দুর করতে সরকারী ভাবে ২৬টি পুকুর সংস্কারের মাধ্যমে এলাকার মানুষের দুঃখ দুরকরার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলকে পুকুর খনন ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে সরবরাহের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়।

এই ইউনিয়ন দুটিতে সরকরী খাস পুকুর বিদ্যামান তাই বর্তমান সরকার খাস পুকুর সংস্কার করে এবং পুকুরের পাশে একটি সোলার সিস্টেম (যার প্রকল্পের নাম ঢ়ংভ) ব্যবহার করে জনসাধারনের জন্য মিঠা পানির ব্যবস্থা এবং এলাকার মানুষের খাওয়ার উপযোগী করে পানির সরবরাহ করার মধ্যদিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কথা থাকলেও তা ধোয়াশা মাত্র। কিন্তু ঐ পুকুর গুলো পরিদর্শন করে দেখাযায় পুকুরের পানি পান করা তো দুরের কথা তা ব্যাবহারের অন-উপযোগী ও ময়লা আর্বজনায় ভরপুর হয়ে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পরে আছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহ আলীর নিকট তথ্যের জন্য গেলে তিনি নানা অজুহাত দেখিয়ে কালক্ষেপন করেন এবং জানায় আমি কোন তথ্য দিতে পরব না প্রয়োজনে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। বর্তমানে ঢ়ংভ প্রকল্পটি চলমান আছে জানান কিন্তু পুকুর গুলো পরিদর্শন করে কাজ করছে এমন লোক পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী জানায় গত এক বছর হল কাটাতারের রেড়াদিয়ে পুকুর গুলো নাম মাত্র খনন করে চলে যায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এরপর থেকে কেউই আর কোন খোজ নেয়নি।

তারা আরো জানান, সরকার আমাদের কক্ট দুরকরনের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিল তা প্রসংসার দাবিদার কিন্তু কিছু অসাধু কর্মকর্তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আতাত করে লোক দেখানো কাজ করে প্রকল্পের সিংহ ভাগ টাকা দূর্নীতি করে। আমরা এরকম দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তার অপসারন এবং সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হক। এবং আমাদের সুবির্ধাতে নির্মিত এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জোর দাবি জানায়। এবিষয়ে জেলা জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজোয়ান হোসেনের নিকট মোবাইলে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি ।