সোনালী মুকুলঃ-
আল-আমিন, কুড়ুলগাছি প্রতিনিধিঃ
এখন ঋতুরাজ বসন্ত। প্রকৃতি এখন রং বেরং ভাবে সেজেছে। চারদিকে শুধু সবুজ আর সবুজের সমারোহ। আর সবুজ পাতার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে আম ও লিচুর সোনালী মুকুল।আম ও লিচু গাছের  মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুগ্ধ হয়ে উঠেছে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদাসহ বিভিন্ন এলাকা।আম ও লিচু চাষিরা গাছের পরিচর্যা করতে মেতে উঠেছে।
জানা গেছে,এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আগামী মাসের শেষের দিকে আম ও লিচু উঠবে বাজারে।এরই মধ্যে আম ও লিচুর ভালো ফল পাওয়ার আশায় বাগান চাষিরা সহ বসতবাড়িতে থাকা আম লিচু গাছের পরিচর্যা শুরু হয়েছে।দামুড়হুদার বাগান চাষিরা মুকুল আসা থেকে শুরু করে প্রতিনিয়ন গাছে গোড়ায় পানি দেওয়া, আম ও লিচুর মুকুল থেকে গুটি না বাহির হওয়া পর্যন্ত পোকা দমন রোধে  কিটনাশকসহ বিভিন্ন ভিটামিন স্প্রে করা সহ গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে।
দামুড়হুদা উপজেলার যেসব জায়গায় লিচু বাগান আছে তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো দামুড়হুদা, চিৎলা,জুড়ানপুর, হোগলডাঙ্গা,হাতি ভাঙ্গা,মুক্তার পুর, কার্পাসডাঙ্গা, কুতুবপুর, চন্দ্রবাস,শিবনগর, নাটুইদহ,কুড়ুলগাছি, চন্ডিপুর,বড়বোলদে, মদনা,সুলতানপুর ও দর্শনা পৌর ইত্যাদি। এসব এলাকায় পাতি,কদমী,আর বোম্বাই এই তিন প্রকার লিচুর চাষ ই বেশি দেখা যায় পাশাপাশি আমের ক্ষেএে সকল প্রকার আমের চাষ লক্ষ করা যায় এসব এলাকায়।
দামুড়হুদা কার্পাসডাঙ্গার চন্দ্রবাস এলাকার আনিসুর রহমানের কাছ থেকে জানা যায়, বাগান কয়েক ধাপে বিক্রি হয়। গাছে গাছে মুকুল আসার আগেই এবং আম ও লিচুর গুটি বাহির হওয়ার পরও বিক্রি করা হয়।আম ও লিচু পাকার আগেই কয়েকবার পরিবর্তন হয় বাগানের মালিকানা।তবে অনেক মালিকেরা অধিক লাভেরর আশায় নিজেরাই শ্রম দেই।অনেক সময় দেখা যায় খরার কারনে লিচুর আকার  ছোট হয়ে যায় অন্যদিকে এ সময়৷ কাল বৈশাখি ঝড়ে সব লন্ডভন্ড হয়ে যায় আমের বাগানও।তখন ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয় আম ও লিচু চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান,চলতি মৌসুমে এবার উপজেলার বসতবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানের ১০হেক্টর জমিতে লিচুর গাছ ও অসংখ্য আম গাছ রয়েছে।আমরা আম ও লিচু চাষিসহ সবসবাড়িতে থাকা আম ও লিচুর উৎপাদন বৃদ্দির লক্ষ্যে গাছ মালিকদের সর্বদা সেবা দিয়ে আসছি।