আবুল হাসান তালসার : ঝিনাইদহ জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই চিত্রা নদী। এই নদী খননের অভাবে মাঠের পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্হা নেই। মাঠের পানি বের হতে না পারায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছে প্রতি বছর। গরীব বর্গা চাষী চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে পারছেন না জমির মালিকের কন্ট্রাকের ধান। বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণের টাকা পারছেন না পরিশোধ করতে। এলাকার বর্গা চাষীরা ছেড়ে দিয়েছেন চাষ। চাষী মোঃ আলতাফ হোসেন মোঃ নজরুল মোঃ তাজু, হাসান কথা বলা হয় তাদের সাথে। তারা বলেন, জলার বিলের খাল খননের জন্য অনেকবার বলা হয়েছে। খালের নেই চিহ্ন মাঠের পানি বের হতে পারে না। চিত্রা নদীর নেই কোন চিহ্ন। খননের অভাবে ধানের ক্ষেতে পরিণত বর্তমান চিত্রা নদী। জলার বিল এলাকার সবচেয়ে বড় ধানের মাঠ আজ পড়ে থাকে এখনও মাঠে গলা সমান পানি।

আমরা প্রতি বছর ফসলের বলি দিতে হয় চিত্রা নদীর খননের অভাবে। চুয়াডাঙ্গা জেলার সিমানা পর্যন্ত চিত্রা নদী খননের পরিকল্পনা করা হলেও ঝিনাইদহ জেলার সিমানা পর্যন্ত খননের কোন ব্যবস্হা করা হয় না। আমরা চাই চিত্রা নদী খনন করে যাতে মাঠের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হোক।