আলিফ হোসেন তানোরঃ

 

রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিশস্ত সৈনিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক তরুণ নেতৃত্বের আইডল আবুল বাসার সুজন তথ্য সন্ত্রাসের শিকার বলে মনে করছেন তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ। সম-সাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনে একমাত্র তরুণ নেতৃত্ব সুজন যাকে এমপি ফারুক চৌধুরীর মতো অভিজ্ঞ ও হেভিওয়েট নেতা নিজ হাতে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করেছেন। ফলে তাকে একজন সৌভাগ্যবান নেতাও বলা যায়। একজন নেতা বা কর্মীর প্রতি কতটা আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসা থাকলেই কেবল একজন অভিজ্ঞ সাংসদ  এভাবে সম্মানিত করেন সেটার গভীরতা অনুধাবন করতে হবে। সুজনবিরোধীরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে সুজনের রাজনীতির শুরু। অথচ এমন একজন আদর্শিক তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে  চেনা মুখের একটি গোষ্ঠী মিথ্যা-বানোয়াট ও মানহানিকর  খবর প্রকাশের মাধ্যমে রীতিমতো  তথ্য সন্ত্রাস করা হয়েছে বলে সাধারণ মানুষ মনে করছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে আবুল বাসার সুজনের জন্ম। জন্ম সুত্রে তিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান এবং স্কুল জীবন থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির ওতোপ্রোতোভাবে সম্পৃক্ত। রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া পশ্চিম আওয়ামী লীগের তিনি সহসভাপতি। অথচ সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি শহরের বিলাসী জীবন ছেড়ে তানোর পৌরসভা আওয়ামী লীগের রাজনীতি চাঙ্গা ও সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী  করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তিনি তানোর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে মাঠে নামেন। স্থানীয় সাংসদের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় তিনি পৌর আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ  করে আওয়ামী লীগের গণজোয়ার সৃষ্টি করেন। এছাড়াও পৌর এলাকার রাস্তা-ঘাট, মসজিদ-মাদরাসা,মন্দির-গীর্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়নে আর্থিক অনুদান, অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসায় সহযোগিতা, খেলা-ধুলার সামগ্রী বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয উৎসবে সমাজের দরিদ্রদের সহায়তা ইত্যাদি জনহিতকর কাজের মাধ্যমে পৌরবাসির হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন আবুল বাসার সুজন। কিন্ত্ত পৌর নির্বাচনে দলীয মনোনয়ন পাননি। তবে নির্বাচনে বিজয়ের শতভাগ সম্ভবনা থাকার পরে তিনি দল, নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন বিশেষ করে সাংসদ ফারুক চৌধুরী সম্মানের কথা বিবেচনা করে তিনি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী না হয়ে দলীয প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নিজের আদর্শিকতার প্রমাণ দিয়েছেন। তানোর পৌর নির্বাচনে সুজনের সাজানো মাঠ ও সাংসদের নির্বাচনী কৌশল কাজে লাগিয়ে পৌরসভা সৃষ্টির পর এই প্রথম আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে সুজনের হাজারো জনহিতকর কাজের কথা পৌরবাসী জানেন, তবে সেসবের কোনো খবর হয়নি, খবর হয়েছে কি সুজন অনুপ্রবেশকারী। এছাড়াও রাজনৈতিক অর্বাচীনরা প্রচার করছে কি সুজন আওয়ামী লীগের রাজনীতি নষ্ট করছে, বলা হচ্ছে সাংসদের ২০ কোটি টাকা ঋণ আছে সেটা পরিশোধের কথা বলে সুজন নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, অথচ তিনি কোনো নিয়োগ দেননি, সাংসদের কোনো ঋণ নাই, বলা হচ্ছে সুজন বিএনপির মেয়র মিজানকে সহযোগীতা করেছে, অথচ সুজনের নেতৃত্বে তানোর পৌরসভা বিএনপির ঘাঁটি তছনছ  হয়েছে এমনকি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মিজান কোনো কেন্দ্রেই বিজয়ী হতে পারেনি, তাহলে সুজন বিএনপি নেতা মিজানকে সহযোগীতা করলেন কি ভাবে ? সুজন পৌরসভার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন, অথচ বেকুবরা বলছে সুজন লুটপাট করছে, আসলে এসব বেকুবরামানুষের জন্য ভাল কিছু করবে না, আবার অন্যরা ভাল কিছু করলে তাদের সহ্য হবে না। আসলে সুজনের জনপ্রিয়তায় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে অনেকের বিদায়ের ঘন্টা বেজে উঠেছে, তারা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে সুজনবিরোধী এসব প্রোপাগান্ডা ছড়ানোকারিদের নেপথ্যে থেকে মদদ দিচ্ছে। এদিকে আবুল বাসার সুজনের সঙ্গে এমপি ফারুক চৌধুরীকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করায় পৌরবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।অন্যদিকে শুধু সুজন নয় তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও রামিল হাসান সুইটের বিরুদ্ধেও মানহানিকর মিথ্যাচার করা হচ্ছে।